ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর , ২০২১ ● ২ আশ্বিন ১৪২৮

লকডাউন ও বর্ষার প্রভাবে সবজির দাম কমেছে

Published : Thursday 29-July-2021 20:38:40 pm
এখন সময়: শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর , ২০২১ ১৩:৫৪:৩৭ pm

মুর্শিদুল আজিম হিরু : যশোরে বাজারে বিক্রেতা আছে, ক্রেতা কম। বর্ষায় বাজারে ক্রেতা শূন্য হওয়ায় আগের চেয়ে অর্ধেক দামে বিক্রি হয়েছে সবজি। অপরদিকে আলু, পেঁয়াজ-রসুন, চাল, ডাল, ভোজ্য তেলের দাম আগের মত আছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বাজারে ইলিশ মাছ আসলেও দাম অনেক বেশি। বৃহস্পতিবার শহরের বড় বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

লকডাউনে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত বাজার খোলা ছিল। টানা বর্ষায় ক্রেতা শুন্য ছিল পুরো বাজার। ব্যবসায়ীরা এই বৃষ্টির মধ্যে যে সব সবজি নিয়ে বাজারে এসে ছিল ক্রেতা না থাকায় চরম বিপাকে পড়ে। ফলে অর্ধেক দামে সবজি বিক্রি করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয় ২০ টাকা ৩০ টাকা। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুমড়া। প্রতি কেজি কুশি বিক্রি হয় ২০ টাকা। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধেঢ়স। প্রতি কেজি পটল বিক্রি হয় ১০ টাকা থেকে ১৫ টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরমুখি। প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হয় ১৫ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় উচ্ছে। প্রতি কেজি ডাটা বিক্রি হয় ১০ টাকা। ১০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পুঁইশাক। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হয় ৫০ টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরলতি। প্রতি কেজি কলা বিক্রি হয় ২০ টাকা। ১৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধুন্দল। প্রতি কেজি ঝিঙে বিক্রি হয় থেকে ২০ টাকা। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কাঁকরোল। প্রতি কেজি বরবটি বিক্রি হয় ৩০ টাকা কেজি। ২০ টাকা পিচ বিক্রি হয় লাউ। ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ওল।

বাজারে দাম বাড়েনি পেঁয়াজ-রসুন ও আলুর দাম। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৪৫ টাকা থেকে ৫০ টাকা। ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হয় রসুন। প্রতি কেজি আমদানিকৃত রসুন বিক্রি হয় ১শ’২০ টাকা। ২০ টাকা থেকে ২২ টাকা কেজি বিক্রি হয় আলু। প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হয় ৬০ টাকায়।

বাজারে ভোজ্য তেলের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ১শ’৩০ টাকা। ১শ’২০ টাকা থেকে ১শ’২৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় সুপার পাম তেল। প্রতি কেজি পাম তেল বিক্রি হয় ১শ’২০ টাকা। ১৪৫ টাকা লিটার বিক্রি হয় বিভিন্ন কোম্পানির বোতলজাত সয়াবিন তেল।

বাজারে ডালের দাম আগের মত আছে। প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ১শ’ টাকা থেকে ১শ’১০ টাকা। ৭০ টাকা থেকে ৭৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত মসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৭০ টাকা। ৪২ টাকা থেকে ৪৪ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১শ’ টাকা থেকে ১শ’৩৫ টাকা। ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কলাইয়ের ডাল।

গত কয়েক দিনের বর্ষায় বাজারে চালের সরবরাহ কিছুটা কমে গেছে। তারপরও চালের দাম আগের মত আছে বলে জানিয়েন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি রতœা চাল বিক্রি হয় ৪৬ টাকা থেকে ৪৮ টাকা। ৫০ টাকা থেকে ৫২ টাকা কেজি বিক্রি হয় বিআর-২৮ ও কাজল লতা চাল। প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হয় ৫৪ টাকা থেকে ৫৬ টাকা। ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় বাঁশমতি চাল।

বাজারে মাছের সরবরাহ ছিল অন্যদিনের তুলনায় অনেক কম। বর্ষার কারনে মাছ না ধরায় এ প্রভাব পড়েছে বাজারে। দাম আগের মত ছিল। ইলিশ মাছ বাজারে আসলেও দাম অনেক বেশি। এরমধ্যে বাজারে ক্রেতা কম হওয়ায় বাজারে যে মাছ এসেছিল তা বিক্রি করতে হিমশীম খেতে হয়েছে ব্যবসায়ীদের। প্রতি কেজি বড় ইলি মাছ বিক্রি হয় ১১শ’টাকা থেকে ১২শ’ টাকা কেজি। ৬শ’ টাকা থেকে ৮শ’ টাকা কেজি বিক্রি হয় মাঝারি সাইজের ইলিশ মাছ। প্রতি কেজি ঝাটকা মাছ বিক্রি হয় ৪শ’ টাকা থেকে সাড়ে ৪শ’ টাকা কেজি। রুই মাছ বিক্রি হয় ১শ’২০ টাকা থেকে ১শ’৮০ টাকা কেজি। প্রতি কেজি কাতল মাছ বিক্রি হয় ১শ’৬০ টাকা থেকে ২শ’ টাকা কেজি। মৃগেল মাছ বিক্রি হয় ১শ’৩০ টাকা থেকে ১শ’৫০ টাকা কেজি। প্রতি কেজি তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হয় ১শ’ টাকা থেকে ১শ’২০ টাকা কেজি। 



আরও খবর