ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ সোমবার, ২৫ অক্টোবর , ২০২১ ● ১০ কার্তিক ১৪২৮

প্রবল জোয়ারে সাতক্ষীরায় বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত

Published : Tuesday 30-March-2021 21:38:58 pm
এখন সময়: সোমবার, ২৫ অক্টোবর , ২০২১ ০৯:১৫:১৮ am

শাকিলা ইসলাম জুঁই, সাতক্ষীরা : খোলপেটুয়া ও কপোতাক্ষ নদের প্রবল জোয়ারে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের পশ্চিম দূর্গাবাটি ও আশাশুনি উপজেলা সদরের দয়ারঘাট এলাকাসহ মোট ৩টি পয়েন্টের বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে অনন্ত সাড়ে ৩শ’ কাঁচা-পাকা ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। প্লাবিত হয়েছে বেশ কিছু ছোট-বড় পুকুর ও মাছের ঘের। মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার দিকে হঠাৎ নদীর প্রবল জোয়ারে এক থেকে দেড় ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাঁধভেঙে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসন এবং এলাকার জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

আশাশুনি উপজেলা সদরের ইউপি চেয়ারম্যান স.ম. সেলিম রেজা মুকুল জানান, দুপুর ১২ টার দিকে কপোতাক্ষ নদের প্রবল জোয়ারে সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোড-২ এর ৪ নন্বর পোল্ডারের আশাশুনি সদরের দয়ারঘাট, জেলেখালিসহ তিনটি পয়েন্ট ভেঙে যায়। এতে হু হু করে লোকালয়ে পানি ঢুকে দুটি গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। সাড়ে ৩শ’ কাঁচা-পাকা ঘর বাড়িতে পানি ঢুকে পড়ে। প্লাবিত হয় বেশ কিছু ছোট-বড় পুকুর ও চিংড়ী ঘের। সংবাদ পেয়ে দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হুসাইন, এ্যাসিল্যান্ড শাহিন সুলতানা ও আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম কবির এবং স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও রাবিব হাসান ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। জোয়ারের পানি নেমে গেলে জিও ব্যাগ ফেলে বাধটি মেরামত করা হলে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এদিকে শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী এলাকার ইউপি সদস্য ভবতোষ কুমার মন্ডল জানান, বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সময় জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের পশ্চিম দূর্গাবাটি ও দাঁতনেখালি ইদগাহের সামনে আজিজ ম্যানেজারের বাড়ির এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর প্রায় ২শ’ ফুট এলাকা ভেঙে গিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে। তাৎক্ষণিক স্থানীয় বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ভবতোষ কুমার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও শাহনাজ পারভীন এবং এসডিইও রাশেদ খানসহ স্থানীয় গ্রামবাসীরা ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধে জিও ব্যাগ ফেলে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ করে। এলাকাবাসী জানান, কলবাড়ী থেকে নীলডুমুর এবং নোয়াবেকি পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার ভেড়িবাঁধ চরম ঝুকিতে রয়েছে। বর্ষামৌসুমের আগে এই বাধ সংস্কার না হলে বাধ ভেঙে আরও বড় ধরনের ক্ষয়-ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।