ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর , ২০২১ ● ১১ কার্তিক ১৪২৮

ডুমুরিয়ায় পাউবোর গেটের পলি স্বেচ্ছায় অপসারণ করলো এলাকাবাসী

Published : Friday 02-July-2021 21:46:48 pm
এখন সময়: মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর , ২০২১ ১৩:৫০:২৩ pm

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার ডুমুরিয়ায় এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে আবারো জিয়েলতলা গেটের খালের পলি অপসারণ কাজ শুরু হয়েছে। জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পেতে ইউপি চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত কুমার বৈদ্যের নেতৃত্বে শতশত মানুষ স্বেচ্ছায় এ কাজটি করছেন। নদীর নাব্যতা হারানোর কারণে খালটি প্রতিবছর ভরাট হচ্ছে। পলি অপসারণ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কেনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবছরই জনগণ বাধ্য হয়ে স্বেচ্ছায় এ কাজ করে আসছেন।

জানা যায়, ডুমুরিয়া উপজেলার শোভনা ইউনিয়নের প্রায় ১২টি গ্রামের মানুষ জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পেতে জিয়েলতলা বাঁওড়ের খালের পলি অপসারণের কাজ শুরু করেন। তেলিগাতি নদীর নাব্যতা হারানোর কারণে প্রতিবছর পলিতে ভরাট হচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ২৬ নম্বর পোল্ডারের আওতাধীন জিয়েলতলা তিন ব্যান্ডের স্লুইচ গেট। ওই খালটির নাম বাওড়ের খাল। খালটি খননে এ যাবতকাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনো উদ্যোগ নেই। যে কারণে বর্ষাকাল এলেই জলাবদ্ধতার ভয়ে এলাকার শতশত মানুষ বাধ্য হয়ে স্বেচ্ছায় নেমে পড়ে পলি অপসারণ কাজে। এ খাল দিয়ে শোভনা, বলাবুনিয়া, জিয়েলতলা, শিবপুর, বাদুরগাছা, কদমতলা, পাতিবুনিয়া, কাকমারী, মলমলিয়া ও চিংড়া গ্রামসহ নন্দিরমাটাম, কলাবুনিয়া, বালুইঝাকি, নিমেরশীষে, গোপালনগর, মালুমডাঙ্গা, তক্তামারি ও কাকড়াখালী বিলাঞ্চলের পানি নিষ্কাশন হয়। সঠিকভাবে পানি নিষ্কাশন না হলে অত্রাঞ্চলে জলাবদ্ধতা দেখা দিবে।  

শোভনা ইউপি চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত কুমার বৈদ্য বলেন, বড় নদীর নাব্যতা হারানোর ফলে গেটের মুখে পলি পড়ে ভরাট হচ্ছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো উদ্যোগ নেই। তাই এলাকার লোকজনের স্বেচ্ছাশ্রমে দুই তিন দিন ধরে গেটের মুখের পলি অপসারণ করা হয়েছে। শুক্রবার থেকে আবার গেট দিয়ে পানি সরাবরাহ করতে পারবে। তবে নদীর নব্যতা না ফেরা পর্যন্ত প্রতিবছর পলি অপসারণ কাজ করা লাগবে।  

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম বলেন, আগামীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরাদ্দে জিয়েলতলা গেটের পলি অপসারণ করা হবে।   



আরও খবর