ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ সোমবার, ২৫ অক্টোবর , ২০২১ ● ১০ কার্তিক ১৪২৮

কেশবপুর পৌর মেয়রসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

Published : Wednesday 01-September-2021 21:57:02 pm
এখন সময়: সোমবার, ২৫ অক্টোবর , ২০২১ ০৯:১৪:২৫ am

নিজস্ব প্রতিবেদক: ছিনতাই হওয়া চেক, স্বাক্ষরযুক্ত স্ট্যাম্প ও মোটরসাইকেল ফিরে পেতে কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলামসহ সাতজনকে বিবাদী করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা হয়েছে। বুধবার কেশবপুরের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের শওকত আলীর ছেলে ফার্মেসি ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান শিমুল বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারক শাম্মী ইসলাম অভিযোগের তদন্ত করে পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সঞ্জিব সরকার।

মামলার বিবাদীরা হলো, কেশবপুরের মধ্যকুল গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে রাজীব খান, আব্দুল লতিফের ছেলে জুয়েল হোসেন, গনি শেখের ছেলে জামাল শেখ, নজরুল ইসলামের ছেলে বাপ্পী, আবদুল আজিজ মোড়লের ছেলে মাহাবুবুর রহমান জুয়েল, ভোগতি নরেন্দ্রপুর গ্রামের রহিম মোড়লের ছেলে আরিফুর রহমান ও একই গ্রামের মৃত সামছুদ্দিন মোড়লের ছেলে পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, কেশবপুর বাজারে ‘আল্লাহর দান’ নামে শিমুলের  একটি ফার্মেসি আছে। আসামিরা বিভিন্ন সময় তার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় তারা তাকে কেশবপুর বাজারে ব্যবসা বন্ধ করা এবং খুনের হুমকি দেয়। ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান হুমকি উপেক্ষা করে তার ব্যবসা চালু রাখায় আসামি রাজীব খান ২ লাখ টাকা নিয়ে মেয়র রফিকুল ইসলামের সাথে দেখা করতে বলেন। ব্যবসায়ী মিজানুর মেয়রের সাথে দেখা না করায় এবং দাবিকৃত চাঁদার টাকা না দেয়ায় তারা ক্ষুব্ধ হয়। গত ২৫ আগস্ট বিকাল ৫টার দিকে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আসামিরা ফার্মেসিতে হামলা চালিয়ে ক্যাশবক্স থেকে ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। ফার্মেসির ড্রয়ারে থাকা সোনালী ব্যাংক  কেশবপুর শাখার চেক বইয়ের তিনটি ফাঁকা চেক, তিনটি ফাঁকা স্টাম্পে স্বাক্ষর ও মোটরসাইকেল নিয়ে যায়। এ সময় আসামিরা চাঁদার ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা দিয়ে মোটরসাইকেল, বøাঙ্ক চেক ও স্ট্যাম্প ফেরত আনার জন্য বলে যান। ছিনতাই হওয়া ব্যাংকের চেক, স্বাক্ষরযুক্ত স্ট্যাম্প ও মোটরসাইকেল ফিরে পেতে তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।