ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ শুক্রবার, ১৪ মে , ২০২১ ● ৩১ বৈশাখ ১৪২৮

উৎসবের প্রস্তুতিতে উপেক্ষিত করোনা

Published : Sunday 11-April-2021 21:22:34 pm
এখন সময়: শুক্রবার, ১৪ মে , ২০২১ ১২:২১:৫০ pm

মিরাজুল কবীর টিটো : যশোরের বাজারে কেনাকাটা করতে আসা  অধিকাংশই করোনা ভাইরাসের ভয় পাচ্ছে না। তাদের কাছে গুরুত্ব পাচ্ছে নববর্ষ ও ঈদের প্রস্তুতি। তাই করোনা ভাইরাসকে উপেক্ষা করে প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে হাজারো মানুষ ঘুরছে রাস্তায়। ভিড় বাড়ছে ব্যাংকগুলোতে। রাস্তায় চলমান ছোট ছোট যান সামাল দিতে ট্রাফিক পুলিশকে এক প্রকার হিমসিম খেতে হয়েছে। সর্বত্রই দেখা গেছে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষার চিত্র।

গত সাতদিনের লকডাউনের মধ্যেই সরকার শপিংমল দোকানপাট খুলে দিয়েছে। খোলার সময় নির্ধারণ করে দেয় সকাল ৯ টা হকে বিকেল পাঁচটা। আর ব্যাংকের লেনদেনের সময় করা হয় সকাল ১০ টা থেকে দুপুর সড়ে ১২টা পর্যন্ত। শহর ঘুরে দেখা গেছে শহরে সামাজিক দূরত্ব না মেনে মানুষ ভিড় জমাচ্ছে। বিশেষ করে বেশি ভিড় হচ্ছে শহরের বড় বাজার, মাছ বাজার ও কাপড়ের মার্কেটে। কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা বললে তারা জানান, বুধবার থেকে ফের লকডাউন হবে। এর মধ্যেই রোজা শুরু হচ্ছে। রোজার মধ্যে যদি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যায় সে কারণে ঈদের পোশাক  ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার জন্য বাজারে সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। যতই করোনা ভাইরাসের সংক্রমন বৃদ্ধি পাক না কেন মানুষ ঈদের আনন্দ বাদ দিতে চান না। অন্যদিকে  লকডাউন কড়াকড়ি করা হলে যদি বাইরে বের হওয়া না যায়। তাই সব শ্রেণিপেশার মানুষ আগের থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে রাখছে। এ কারণে বাাজরে  মানুষের উপচে পড়া ভিড় হচ্ছে। সেখানে মানা হচ্ছে না সামাজিক দুরত্ব। এটা না মেনেই কেনাকাটায় ব্যস্ত থাকছে মানুষ। অন্যদিকে করোনা ভাইরাসের কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকের লেনদেনের সময় করা হয়েছে সকাল ১০ টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত। সোনালী ব্যাংক বোর্ড অফিস শাখার ম্যানেজার এসএম সাহিদুর রেজা জানান, মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে সামনের লকডাউনে  যদি ব্যাংক বন্ধ হয়ে যায়। সে কারণে মানুষ ব্যাংক থেকে টাকা তুলে কেনাকাটা করে নিচ্ছে। তাই ব্যাংকে মানুষের ভিড় বাড়ছে। কেনাকাটাসহ অন্যান্য কাজে মানুষ শহরমুখি হওয়ায় শহরে তীব্র  যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। যানজট সৃষ্টি হচ্ছে শহরের গাড়ি খানা রোড, মুজিব সড়ক, চৌরাস্তা দড়াটানায়। যানজট নিরসনে হিমশিম খাচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ। বাজারে ভিড় দেখে মনে হচ্ছে না মানুষের মাঝে করোনার ভয় আছে।



আরও খবর