ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ শুক্রবার, ২২ অক্টোবর , ২০২১ ● ৭ কার্তিক ১৪২৮

যবিপ্রবির গবেষণা : কর্মক্ষম মানুষেরা লং কোভিডে বেশী আক্রান্ত হচ্ছেন

Published : Friday 13-August-2021 23:10:30 pm
এখন সময়: শুক্রবার, ২২ অক্টোবর , ২০২১ ০৯:৪৩:৩২ am

যবিপ্রবি প্রতিনিধি : সম্প্রতি লং কোভিড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে গবেষণা করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) একদল গবেষক। গবেষকদল দাবি করেছেন, ৪০ বছরের নিচে বয়সীরা অর্থাৎ দেশের কর্মক্ষম মানুষ লং কোভিড দ্বারা বেশি আক্রান্ত হতে পারে। বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারের জন্য আরও একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে উল্লেখ করে কিভাবে লং কোভিড মোকাবেলা করা যায় সেটি নিয়ে বাংলাদেশ সরকারকে এখনি ভাবার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষক দলের প্রধান ও যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন।
তিনি বলেন, কোভিড হওয়ার পর প্রায় ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত আক্রান্তের শরীরে কোভিড পরবর্তী লক্ষনগুলো থাকতে পারে। এর পরবর্তীতেও লক্ষণ থাকলে সেটাকে আমরা পোস্ট কোভিড পর্যায় বলি। সেটা ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে। কিন্তু ১২ সপ্তাহের বেশী সময় ধরে পেইন হওয়া, হঠাৎ কোনোকিছু ভুলে যাওয়া, দুই অস্থির সংযোগস্থলে ব্যথা, মাথা ব্যাথা এমন লক্ষণগুলো থাকেলে সেটা লং কোভিড বলে ধরে নিতে হবে এবং বাংলাদেশের মানুষ লং কোভিডে আক্রান্ত হলে তা ২২-৩২ সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে শতকরা ১৬-২২% লোকের লং কোভিড হতে পারে। এর মধ্যে যাদের বয়স ৪০ বছরের নিচে তারাই লং কোভিডে আক্রান্ত হচ্ছেন। আবার এদের মধ্যে মহিলাদের লং কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আরও বেশি। এটি যেহেতু কর্মক্ষম মানুষের উপর বেশি আঘাত হানবে। সুতরাং কিভাবে লং কোভিড মোকাবেলা করা যায় সেটি নিয়ে বাংলাদেশ সরকারকে এখনি ভাবতে হবে।
দেশবরেণ্য এ অণুজীববিজ্ঞানী আরও বলেন, আমরা ভারত সীমান্তবর্তী অঞ্চলকে টার্গেট করে গবেষণাটি করেছি। এটি যদি সারা বাংলাদেশ ব্যাপী করতে পারি তাহলে বাংলাদেশে লং কোভিড নিয়ে একটি স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যাবে। করোনার ভ্যাকসিন দেয়ার সাথে সাথে আমাদের এটাও দেখা দরকার কতটুকু প্রতিরোধক তৈরি হয়েছে। আর তা না হলে কিন্তু কিছু ভুলও থাকবে। সবাইকে ভ্যাকসিন দেয়া হয়ে গেছে, সবাই সুস্থ হয়ে গেছে, এ ধরণের ধারণা কিন্তু মারাত্মক হয়ে দাড়াতে পারে।
 



সর্বশেষ সংবাদ
আরও খবর