ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ সোমবার, ২৫ অক্টোবর , ২০২১ ● ৯ কার্তিক ১৪২৮

‘চেয়ারম্যান অপরাধী প্রমাণিত হলেও তদন্ত কমিটির রিপোর্ট বদলাবে না’

Published : Wednesday 13-October-2021 22:36:14 pm
এখন সময়: সোমবার, ২৫ অক্টোবর , ২০২১ ০২:৫৩:৪৫ am

যশোর শিক্ষা বোর্ড

মিরাজুল কবীর টিটো: যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপরাধের তথ্য প্রমাণ মিললেও অডিট স্বাধীনভাবে চলবে। সকল অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হবে। চেয়ারম্যান মোল্লা আমীর হোসেন নিজেই এ কথা বলেছেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন

‘চেয়ারম্যান অপরাধী প্রমাণিত হলেও তদন্ত কমিটির রিপোর্ট বদলাবে না। আইনের উর্ধ্বে কেউ না। আমি আরো বেশি পুরাতন হিসাব যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছি।’

একের পর এক অর্থ কেলেংকারি ফাঁস হওয়ার পর বোর্ড  তিনি এ কথা বলেন।

এদিকে যশোর শিক্ষা বোর্ডে ১৫ লাখ ৯৮ হাজার ১০ টাকা জালিয়াতির সাথেও  পুরোনো সেই প্রতিষ্ঠান ভেনাস প্রিন্টিং ও প্যাকেজিং এর নাম এসেছে। তারা প্রিন্টিং প্রতিষ্ঠান হলেও ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ক্রয়ের ভ্যাটের চেক জালিয়াতি করে এ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অডিট কমিটির কাছে বিষয়টি ধরা পড়ার পর পরই জিসাব সহকারী এ ১৫ লাখ টাকা ফেরত পাঠান। এর ফলে এ দুর্নীতির সাথে তার সংশ্লিষ্টতা স্পষ্ট হয়েছে।

গতকাল বুধবার  বোর্ডের হিসাব শাখার উপপরিচালক  এমদাদুল হক জানান, এ বছর ১১ মার্চ  সাজিদ ওয়াচ নামক ইলেকট্রনিক্স দোকান থেকে অফিসের মালামাল ক্রয় বাবদ ১ হাজার ৭৭৬ টাকার ভ্যাট জমা দেয়া হয়।  ১১ এপ্রিল  ভ্যাটের টাকার বিপরীতে চেক জালিয়াতি করে ১৫ লাখ ৯৮ হাজার ১০ টাকা উত্তোলন করে নিয়েছে একটি প্রতিষ্ঠান। পরে বোর্ড থেকে অফিসের বিআইএসই শাখার সোনালী ব্যাংকে খোঁজ নিয়ে জানতে পারে এই ১৫ লাখ ৯৮ হাজার ১০ টাকা চেক জালিয়াতির ঘটনায় নাম সর্বস্বহীন প্রতিষ্ঠান ভেনাস প্রিন্টিং ও প্যাকেজিং। তবে বোর্ড কর্তৃপক্ষ বলছে নাম সর্বস্ব প্রতিষ্ঠান ভেনাস প্রিন্টিং ও প্যাকেজিংয়ের সাথে বোর্ডে পলাতক হিসাব সহকারী আব্দুস সালামের সম্পৃক্ততা আছে। কারণ এর আগে ঘটে যাওয়া চেক জালিয়াতি করে ২ কোটি  ৫০ লাখ ৪৪ হাজার ১০ টাকা উত্তোলন করার সাথে সালাম জড়িত ছিল। সেকারনে এবারও ধারনা করা হচ্ছে এই ঘটনার সাথে সালাম জড়িত আছে।

বোর্ডের সচিব এএমএইচ আলি আর রেজা কোন বক্তব্য দিতে চাননি।