ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ সোমবার, ১৮ অক্টোবর , ২০২১ ● ২ কার্তিক ১৪২৮

মণিরামপুরে ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

Published : Wednesday 08-September-2021 20:45:22 pm
এখন সময়: সোমবার, ১৮ অক্টোবর , ২০২১ ০০:১৮:২২ am

মণিরামপুর প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক মণিরামপুর শাখার আইও মিঠুন চ্যাটার্জীর বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের পরও ঋণ প্রদান না করাসহ বিভিন্ন অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন মফিজুর রহমান নামে এক ব্যক্তি।

মামলার বিবরণ থেকে জানাযায়, উপজেলার রত্নেশ্বর গ্রামের আব্দুস সালাম মোড়লের পুত্র মফিজুর রহমান ইতোপূর্বে গাভী পালনের জন্য বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, মণিরামপুর শাখা হতে ৮০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। যথারীতি তিনি ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করতে থাকেন। ব্যাংকে লেনদেন চলাকালিন সময়ে আইও মিঠুন চ্যাটার্জী মফিজুরের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলে। কিছু দিন পর মিঠুন চ্যাটার্জী মফিজুরকে প্রস্তাব দেয়-যদি সে তার গ্রহণ করা ঋণ সম্পূর্ণ পরিশোধ করে তাহলে তাকে পুনরায় ১লাখ ৫০ হাজার টাকা লোন করে দেবে। আর এ লোন পাশ করার জন্য তাকে ১৪ হাজার টাকা ঘুষ প্রদান করতে হবে। সে মোতাবেক বাদী মফিজুর নিজের গাভীসহ কিছু সম্পদ বিক্রি করে ব্যাংকের সমুদয় ঋণ পরিশোধ করে দেয়। পরবর্তীতে নতুন করে লোন পাশ করানোর জন্য ব্যাংক কর্মকর্তা মিঠুন চ্যাটার্জীকে ১৪ হাজার টাকাও প্রদান করেন। মফিজ মাসাধিক কাল মিঠুনের পেছন- পেছন ঘুরলেও তার লোন পাশ না করে বিলম্ব করতে থাকে। পরিশেষে তার লোন হবে না বলে জানিয়ে দেয় ব্যাংক কর্মকর্তা মিঠুন। মফিজ তখন ঘুষ দেয়া ১৪ হাজার টাকা ফেরত চাইলে ওই কর্মকর্তা টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করে। পরবর্তীতে মফিজের চাপাচাপিতে ৪ হাজার টাকা ফেরত দেয় এবং ১৫ দিন পর বাকি ১০ হাজার ফেরত দেবে বলে অঙ্গীকার করে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম করলেও টাকা প্রদান না করে মিঠুন টালবাহানা করতে থাকে। ইতোমধ্যে মিঠুন চ্যাটার্জী মণিরামপুরের খেদাপাড়া শাখায় বদলী হলে টাকা ফেরত পেতে বিবাদী মিঠুনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে একটি শালিশী বৈঠকে বসে। সেখানে টাকা ফেরত দিতে মিঠুন অস্বীকার করে। প্রতারণার শিকার মফিজ টাকা ফেরত ও বিচারের জন্য গত ২৬ আগস্ট বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিট্রেড গৌতম মল্লিকের (মণিরামপুর) আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। যার মামলা নং-সিআর-৫৬০/২১। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে মণিরামপুরের ১১নং-চালুয়াহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য আদেশ প্রদান করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চেয়ে মামলার বিবাদী মিঠুন চ্যাটার্জীর কাছে ফোন করলে তিনি ঘুষ নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং মফিজের সাথে আদৌ তার লেনদেন হয়নি বলে জানান ।