ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর , ২০২১ ● ১১ কার্তিক ১৪২৮

দাকোপে বাঁধ ভেঙে তরমুজসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

Published : Wednesday 31-March-2021 21:59:12 pm
এখন সময়: মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর , ২০২১ ১৪:৩৫:৩২ pm

আজগর হোসেন ছাব্বির, দাকোপ : দাকোপে পৃথক দু’টি স্থানে বেড়ি বাঁধে লবণ পানি ঢুকে তরমুজসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বুধবার সন্ধার দিকে বেড়িবাঁধ আটকানো সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে। 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩১ নং পোল্ডারের অধীন পানখালী ইউনিয়নের খলিষা এলাকায় গত সোমবার আনুমানিক ৩শ’ মিটার বেড়ি বাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দেয়। বুধবার সকাল পর্যন্ত ওই স্থান দিয়ে নদীর পানি ঢুকে পানখালী ইউনিয়ন এবং চালনা পৌর এলাকার ৪ টি গ্রামের ফসলের মাঠ লবণ পানিতে তলিয়ে যায়। এ ছাড়া ভাঙন এলাকায় বিপুল রায় এবং অনাদী রায় নামের দু’টি পরিবারের বসত বাড়ি নদীর অংশ হয়ে যায়। এ ঘটনায় চাষিদের আনুমানিক ১ হাজার বিঘা জমির ধানসহ তরমুজ এবং সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

জানা যায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ওই এলাকায় বিকল্প বাঁধ নির্মাণের জন্য বেশ আগেই ঠিকাদার নিয়োগ দেয়। কিন্তু যথা সময়ে কাজ শুরু না হওয়ায় এবং স্থানীয়দের অসহযোগিতায় মাটি না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত বাঁধ ভেঙে এলাকায় লবণ পানি ঢুকে ক্ষয়ক্ষতি হয়। বুধবার সকালে দাকোপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিন্টু বিশ^াস ঘটনাস্থলে থেকে বাঁধ নির্মাণ কাজ তদারকি করেন। এ সময় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ শেখ আবুল হোসেন, চালনা পৌরসভার মেয়র সনত কুমার বিশ^াস, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল কাদের, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ আব্দুল কাদের, পাউবোর শাখা কর্মকর্তা মধুসুদন মল্লিক, ইউপি সদস্য জ্যোতি শংকর রায় উপস্থিত ছিলেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পানি আটকানো সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে। অপরদিকে একই পোল্ডারের অধীন তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের ঝালবুনিয়া এলাকায় বেড়ি বাঁধ ভেঙে যায়। তবে সেখানে বড় ধরনের ক্ষতির আগেই পানি আটকানো সম্ভব হয়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিন্টু বিশ^াস বলেন, ভেঙে যাওয়া বাঁধ আটকানো সম্ভব হয়েছে। ফলে আপাতত পানি ঢোকার সম্ভবনা নেই। স্থায়ীভাবে বাঁধটি টেকসই করতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসহ চাষিদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া হবে।



আরও খবর