ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ বুধবার, ২৭ অক্টোবর , ২০২১ ● ১১ কার্তিক ১৪২৮

চৌগাছায় ব্রিজের মুখে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষের অভিযোগ

Published : Thursday 05-August-2021 21:56:50 pm
এখন সময়: বুধবার, ২৭ অক্টোবর , ২০২১ ০২:৫৬:১৭ am

বাবুল আক্তার, চৌগাছা : যশোরের চৌগাছায় সুখপুকুরিয়া গ্রামে সরকারি ব্রীজের মুখে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষের অভিযোগ করেছে গ্রামবাসি। অভিযোগে বলা হয়েছে, শতাধিক একর ফসলি জমিতে স্থায়ী জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে আমন ধান চাষ করতে পারছেন না কৃষকরা। বৃহস্পতিবার অবৈধ বাঁধ উচ্ছেদের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত আবেদন করেছেন ভূক্তভোগী কৃষকরা।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, উপজেলার সুখপুকুরিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে মজনুর রহমান খোকন ও একই গ্রামের আব্দুস সোবহানের ছেলে আল আমিন হোসেন অবৈধভাবে সুখপুকুরিয়া-পুড়াপাড়া সড়কের সুখপুকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছনে একটি ব্রিজের মুখে বাঁধ দিয়েছেন। মাঠের ফসলি জমির পানি নিষ্কাশন বন্ধ করে স্থায়ীভাবে পানি আটকিয়ে মাছ চাষ করছে তারা। ফলে ওই এলাকার রামকৃষ্ণপুর, সুখপুকুরিয়া, মাকাপুর, বল্লবপুর ও পুড়াপাড়া গ্রামের প্রায় দেড় হাজার বিঘা ফসলি জমিতে  স্থায়ীভাবে জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ উপজেলার সুখপুকুরিয়া মৌজার ঘোষপুকুর, হোগলা কুড়া, সিঙের বিল, চাবড়ার মাঠের পানি বের হওয়া ব্রিজের মুখে অবৈধভাবে মাটি ভরাট করে পানি আটকিয়ে মাছ চাষ করছে ২ ব্যক্তি। ফলে খাল পাড়ের ৮ গ্রামের পানি বের হতে পারছে না। এতে প্রায় দেড় হাজার বিঘা জমিতে চলতি বছর আমন আবাদ হুমকির মুখে পড়েছে। মাছ চাষিরা এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় এ বিষয়ে এলাকার নিরিহ কৃষকরা প্রতিবাদ করতেও পারছেন না।

বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী সুখপুকুরিয়া গ্রামের কৃষক সাইদ আলী, আব্দুর রাজ্জাক, রামকৃষ্ণপুর গ্রামের কৃষক সাইফুল ইসলাম ও আয়ুব আলীসহ অনেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপস্থিত হন। এ সময় তারা  ব্রীজের মুখ থেকে অবৈধ বাধ অপসারণের দাবিতে একটি লিখিত আবেদন দেন।

কৃষক সাইদ আলী জানান, সারা বছর মাছ চাষ করার জন্য তারা সুখপুকুরিয়া-পুড়াপাড়া সড়কের সুখপুকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছনে ব্রিজের নিচে মাটি দিয়ে বেঁেধ দিয়েছে। এতে খালের পাড়ে দেড় হাজার বিঘা জমিতে এখন পানি জমে আছে। ফলে ওই জমিতে আমনসহ অন্যান্য ফসলের আবাদ করতে পারছে না কৃষকরা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রকৌশলী এনামুল হক বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ওই পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা করা হবে।



আরও খবর