ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ বুধবার, ২৭ অক্টোবর , ২০২১ ● ১১ কার্তিক ১৪২৮

চৌগাছায় এনজিওর ঋণের দায় মালিকের ঘাড়ে চাপিয়ে ভাড়াটিয়া লাপাত্তা

Published : Thursday 26-August-2021 22:11:46 pm
এখন সময়: বুধবার, ২৭ অক্টোবর , ২০২১ ০২:৪৯:২০ am

বাবুল আক্তার, চৌগাছা : যশোরের চৌগাছায় এনজিওর ঋণের দায় মালিকের ওপরে চাপিয়ে লাপাত্তা হয়েছেন এক ভাড়াটিয়া। এমন অভিযোগ করছেন শহরের নিরিবিলি ফুড কর্নারের মালিক শাহাজ্জেল হোসেন। তিনি অভিযোগ করেন তার বাসার ভাড়াটিয়া আসাদ ও আসাদের স্ত্রীর ৬০ হাজার টাকা ঋণের দায় তার ঘাড়ে চাপিয়ে এবং উপর্যপুরি দোকান থেকে নগদ ৫২ হাজার টাকা ও মালামাল নিয়ে রাতের আধারে পালিয়ে গেছে। শাহাজ্জেল হোসেন উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের মৃত বদর উদ্দীন বিশ্বাসের ছেলে এবং সে শহরের নিরিবলি ফুড কর্ণারের মালিক।

তিনি জানান, পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডে তার  টিন শেডের পৃথক দুই ইউনিটের একটি বাসা রয়েছে। একটি ইউনিট প্রতিমাসে ১ হাজার ৫শ টাকায় ভাড়া নিয়ে প্রায় ৮ মাস বসবাস করে আসছিলো আসাদ নামের এক কাঁচামাল ব্যবসায়ী। আসাদ যশোর সদর উপজেলার বারিনগর ইউনিয়নের ছোট হৈবতপুর গ্রামের আমিন উদ্দীন বিশ্বাসের ছেলে। আসাদের স্ত্রীর নাম রেশমা বেগম। তাদের এক ছেলে আলামিন বাসার মালিক শাহাজ্জেলের ফুডকর্ণারে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতো বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি জানান, আসাদ পাইকারি কাঁচামালের ব্যবসা করতো। একদিন বাসা মালিক শাহাজ্জলের কাছে গিয়ে বলেন সে গ্রামীণ ব্যাংক ও আর আর এফ এনজিও থেকে ৬০ হাজার টাকা ঋণ নিচ্ছেন। তার গ্রান্টারের প্রয়োজন। শাহাজ্জেল সরল মনে ঋণের গ্রান্টার স্বাক্ষর করে দেন। এর কিছুদিন পরে দেশে করোনা প্রভাবে শুরু হয় লকডাউন। বাসা মালিকের করোনাকালিন সহানুভূতি কাজে লাগিয়ে চার মাসের ঘরভাড়া বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রাখে ভাড়াটিয়া আসাদ।

বাসার মালিক আরো জানান ‘গত ২৬ জুলাই চিনি ও ঘোষের বকেয়া বিল দেয়ার জন্য দোকানের ক্যাশে ৫২ হাজার টাকা জমা ছিলো। দুপুরের পরে আমার হোটেলের কর্মচারী আসাদের ছেলে আলামিন টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। বিষয়টি আসাদকে জানালে তিনি বলেন আলামিন বাড়িতে ফিরলে জেনে দেখবেন’।  ওই দিন রাতে কাউকে কিছু না জানিয়ে ঘরের সকল মালামাল নিয়ে সটকে পড়েন তারা। এবিষয়ে চৌগাছা থানায় একটি লিখিত অভিযোগও করেন তিনি।

জানাগেছে এই আসাদ এর আগে একইভাবে প্রতারণা করে কালিগঞ্জ থেকে ঋণ নিয়ে পালিয়ে যায়।  এদিকে গ্রামীণ ব্যাংক ও আর আর এফের ঋণের কিস্তির জন্য আসাদ ও তার স্ত্রী  সন্তানকে না পেয়ে গ্রান্টার শাহাজ্জেলকে অব্যাহত চাপ দিচ্ছেন বলে জানান তিনি। 

বাসার মালিক শাহাজ্জেল হোসেন পালিয়ে যাওয়া আসাদের সন্ধান দিলে সন্ধানদাতাকে উপযুক্ত পুরস্কার দেবেন বলে জানিয়েছেন। যোগাযোগের নম্বর-০১৭৮৪৬১৬০৮৫।



আরও খবর