ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর , ২০২১ ● ১১ কার্তিক ১৪২৮

কপিলমুনিতে মামলাবাজের হাত থেকে রক্ষা পেতে ঘের মালিকের সংবাদ সম্মেলন

Published : Tuesday 13-July-2021 21:50:47 pm
এখন সময়: মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর , ২০২১ ১৫:৪৯:৩০ pm

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি : একের পর এক থানায় মিথ্যা মামলা, মিথ্যা অভিযোগে একাধিক জিডি করাসহ বাহিনী দিয়ে মৎস্য ঘেরের মাছ লোপাট করে হয়রানি ও নানাবিধ হুমকির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন নগর শ্রীরামপুর জামে মসজিদের সভাপতি ও মৎস্য ঘের ব্যবসায়ী আলহাজ আব্দুল হান্নান সরদার। এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে কপিলমুনি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

মঙ্গলবার কপিলমুনি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হান্নান সরদার জানান, ব্যবসায়িক স্বচ্ছতা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ অত্যন্ত সুনামের সাথে মৎস্য ঘের পরিচালনা করে আসছি। বিগত কয়েক বছর যাবত রেজাকপুর মৌজার কুমুরখোলা বিলের বিভিন্ন মালিকের নিকট থেকে ৯৩ বিঘা জমি হারি নিয়ে একটা মৎস্য লীজঘের করি। আমার ৯৩ বিঘা ঘেরের পাশে সফর আলী হাজরা গং, সেলিম হাজরা গং ও হাবিবুর রহমান শেখ গংয়ের এর ৭ বিঘা জমি বিঘা প্রতি ১০ হাজার টাকা হারি মতে ৫ বছর মেয়াদি ডিটমূলে অগ্রিম এক বছরের টাকা পরিশোধ করা হয়। এরপর লিজ ঘের পরিচালনা করাকালে গড়ইখালী কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের স্ত্রী পিত্রালয় নগর শ্রীরামপুর গ্রামে বসবাসরত তহমিনা বেগম ও তার ভাতিজা সিরাজুল এবং রেজাকপুর এলাকার কুখ্যাত সন্ত্রাসী হাবিল ডাকাত ও তার বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে রাতের আঁধারে আমার মৎস্য লিজঘের এলাকায় মহড়াসহ কয়েক দফায় মাছ লোপাট করে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, আমার ইজারাকৃত ৭ বিঘা জমির মৎস্য ঘেরের পাশে অবস্থিত। ইতোপূর্বে তহমিনা তার নিকট আত্মীয়ের কাছ থেকে মৌখিকভাবে ইজারা প্রদানের পর ৪ বছর হারির টাকা না দিয়ে বিভিন্ন টালবাহানা করে লিজ ঘের ভোগ করে আসছিল। সে কারণে জমি মালিকগণ ৪ বছর হারির টাকা না পাওয়ার কারণে পরবর্তীতে জমি মালিকগণ ডিটমূলে ৭ বিঘা জমি ৫ বছরের জন্য আমাকে ইজারা প্রদান করেন। এই ঘটনায় তহমিনা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকেসহ আমার মৎস্য লীজঘেরের তত্বাবধায়ক সেলিম হাজরার নামে একের পর এক মিথ্যা মামলা করে যাচ্ছে। মৎস্য ঘের এলাকায় প্রবেশ করলে আমি বাঁধা দেয়ায় হয়রানির উদ্দ্যেশ্যে গত ২৮ ফেব্র“য়ারি পাইকগাছা থানায় মামলা করে। যাতে আমাকে এবং আমার তত্বাবধায়ককে আসামি করা হয়েছে। এরপর তিনি হয়রানির উদ্দ্যেশ্যে পরপর আরো ৪ টি জিডিও করে। এতেও ক্ষ্যন্ত হয়নি তহমিনা। সর্বশেষ গত ১৯ জুন পাইকগাছা থানায় আরো একটি মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা করে যার নম্বর ২৮।



আরও খবর