ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ শুক্রবার, ২২ অক্টোবর , ২০২১ ● ৭ কার্তিক ১৪২৮

আমদানির পরও প্রভাব পড়েনি পেঁয়াজের দামে

Published : Thursday 10-June-2021 22:37:42 pm
এখন সময়: শুক্রবার, ২২ অক্টোবর , ২০২১ ১০:১৭:৫১ am

মুর্শিদুল আজিম হিরু : আমদানির পরও যশোরের বাজারে প্রভাব পড়েনি পেঁয়াজের দামে। আগের ৫০ টাকা কেজি দরেই বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চাল, আলু, সবজির দাম আরেক দফা বৃদ্ধি পেয়েছে।

মাছ বাজার ছিল বন্ধ। সবজির দোকানগুলো খোলা থাকলেও ক্রেতা ছিল না আগের মত। বৃহস্পতিবার যশোর শহরের বড় বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজারে চালের দাম কেজিতে ২ টাকা থেকে ৩ টাকা বেড়েছে। এক দিকে বর্ষা অন্যদিকে পণ্য পরিবহনে অসুবিধা হওয়ায় দাম কিছুটা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি রতœা চাল বিক্রি হয় ৪৮ টাকা থেকে ৪৬ টাকা। ৪৮ টাকা থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বিআর-২৮ ও কাজল লতা চাল। প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হয় ৫৪ টাকা থেকে ৫৬ টাকা। ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় বাঁশমতি চাল।

পেঁয়াজ আমদানি শুরু হলেও তার প্রভাব পড়েনি বাজারে। আগের দামে বিক্রি হয় পেঁয়াজ। এর মধ্যে আবারও কেজিতে ২ টাকা দাম বেড়েছে আলুর। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৫০ টাকা। ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হয় রসুন। ১শ’৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত রসুন। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয় ২০ টাকা। ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় মরিচ।

বাজারে সবজির দাম কেজিতে ৫ টাকা থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয় ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা। ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুমড়া। প্রতি কেজি কুশি বিক্রি হয় ৩০ টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধেঢ়স। প্রতি কেজি পটল বিক্রি হয় ৩০ টাকা। ৬০ টাকা পিচ বিক্রি হয় কচুরমুখি। প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হয় ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় উচ্ছে। প্রতি কেজি ডাটা বিক্রি হয় ২০ টাকা। ১৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় পুঁইশাক। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হয় ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকা। ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরলতি। প্রতি কেজি কলা বিক্রি হয় ৩০ টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধুন্দল। প্রতি কেজি ঝিঙে বিক্রি হয় থেকে ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কাঁকরোল। প্রতি কেজি বরবটি বিক্রি হয় ৪০ টাকা কেজি। ৫০ টাকা পিস বিক্রি হয় বাঁধাকপি। প্রতি কেজি শিম বিক্রি হয় ১শ’ টাকা। ১শ’ টাকা কেজি বিক্রি হয় ফুল কপি।

বাজারে ভোজ্য তেলের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ১শ’৩৬ টাকা। ১শ’২০ টাকা থেকে ১শ’২৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় সুপার পাম তেল। প্রতি কেজি পাম তেল বিক্রি হয় ১শ’২০ টাকা।

বাজারে ডালের দাম আগের মত আছে। প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ১শ’ টাকা থেকে ১শ’১০ টাকা। ৭০ টাকা থেকে ৭৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত মসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৭০ টাকা। ৪২ টাকা থেকে ৪৪ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১শ’ টাকা থেকে ১শ’৩৫ টাকা। ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কলাইয়ের ডাল।



সর্বশেষ সংবাদ
আরও খবর