সিরাজুল ইসলাম কেশবপুর : কেশবপুরে গত বৃহস্পতিবার রাত ৮ টা থেকে শুক্রবার ভোর ৬ টা পযর্ন্ত ১০ ঘন্টায় ভারি বৃষ্টি পাতে ১৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যার কারণে পৌর শহরের খেলাধুলার ও জাতীয় দিবাস পালনের মাঠ পাবলিক ময়দানসহ বিভিন্ন সড়ক ও বিভিন্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ভেঙ্গে গিয়েছে হরিহর নদীর শহর রক্ষা বাঁধ। মানুষের মাঝে নেমে এসেছে চরম দূর্ভোগ। শহরের পাবলিক ময়দানে রশিক মাছ শিকারিরা মাছ শিকার করছে। স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে ৯ জুলাই রাত ৮ টা থেকে ভারী বর্ষণ শুরু হয় চলে ভোর ৬ টা পযন্ত। দফায় দফায় মসুলধারে ভারী বৃষ্টি পাতের কারণে পৌর শহরের বিভিন্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েগেছে। পানি নিষ্কাশনের ড্রেন্সে ব্যবস্থা ভালো না থাকার কারণে পৌর শহরের ভিতরে যশোর সাতক্ষীরা মেইন সড়কের ডাকবাংলো সড়ক, পৌর সভা সড়ক, হাসপাতাল সড়ক, পোষ্ট অফিস সড়ক, উপজেলা পরিষদ সড়ক বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। তাছাড়া উপজেলা পরিষদের আবাসিক এলাকা, পৌর সভার আলতাপোল ৫ নং ও ৭ নং ওয়াডের আবাসিক এলাকা, কাঁচা বাজার, ময়লাপোতা অঞ্চল, পৌর সভার ১ নং ওয়াডের সাহাপাড়া, কেশবপুর পাবলিক ময়দানে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় আবাসিক এলাকার রশিক মাছ শিকারিরা জালদিয়ে মাছ শিকার করছে। কেশবপুর উপজেলার কৃষি অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি অফিসার রুস্তম আলী দৈনিক স্পন্দনকে বলেন গত ২৪ ঘন্টার রাত ৮ টা থেকে ভোর ৬ টা পযন্ত ১০ ঘন্টায় ভারি বৃষ্টি পাতের কারণে ১৪০ মিলিমিটার বৃষ্টি পাত রেকর্ড করা হয়েছে। মৌসুমের প্রথম দফা বৃষ্টি পাতের কারণে মাঠঘাটের কৃষিজাত ফসলের ও সবজির উল্লেখ যোগ্য কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে শহরে পানি নিষ্কাশনের ড্রেন্সে ব্যবস্থা ভালো না থাকার কারণে পৌর শহরের ভিতরে বিভিন্ন অঞ্চল ও সড়ক প্লাবিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে পৌর শহরের জলাবদ্ধ এলাকাগুলো পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক রেকসোনা খাতুন ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি কাজী মেশকাতুল ইসলাম। এ সময় তাঁরা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। এদিকে ভারি বৃষ্টি পাতের কারণে দূর্যোগ পূর্ণ এলাকায় স্থানীয় জাতীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোক্তারকে তাদের পাশে না পাওয়ায় এলাকাবাসী মনের ক্ষোভ প্রকাশ করেন