মিরাজুল কবীর টিটো : নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা ছাড়াই যশোর শিক্ষা বোর্ডে কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। কারণ গত ১০ বছরেও অফিসের কোন সংগঠনের এ ধরনের নির্বাচন হয়নি। এতে করে যাদের নেতৃত্বে আসার কথা ছিল, তারা বাদ পড়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট জানান।
অফিস সূত্র জানায়, কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির মেয়াদ শেষ হয়ে যায় ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর। কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন সভাপতি সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ডকুমেন্ট মুজিবুল হক। তারা নেতৃত্বে থাকাকালীন তেমন কোন কার্যক্রম না থাকায় কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতি নামে সংগঠন ছিল বলে অনেকেরই মনে হয়নি।
কামাল হোসেন জানান- কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার নিয়ম যারা নেতৃত্বে থাকবে, সেই কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে তাদের উদ্যোগে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে পূর্বের কমিটির নেতৃবৃন্দ নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে। অথচ কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির মেয়াদ শেষ হওয়ার চার মাস ১০ দিন পরে নির্বাচনী তফশীল ঘোষণা ছাড়াই ভোট হয়েছে ১০ মে সোমবার।
এদিন সাধারণ সভায় ১১ পদে ২৪ জন ভোটারের কাছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ ছাপানো ব্যালট দিয়ে ভোটাভুটি করা হয়। ভোটার সবাই প্রার্থী হয়ে নিজেরাই ভোট দিয়েছে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করেন। এর মধ্যদিয়ে প্রোগ্রামার জাকির হোসেনকে সভাপতি ও সহকারী মূল্যায়ণ অফিসার সায়মা সিরাজকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে। এতে করে যোগ্য ব্যক্তি কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে আসা থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সদস্য জানান।
সংগঠনের মনোনীত সভাপতি জাকির হোসেন জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারনে সরকারি ভাবে সকল নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা ছিল। এজন্য আমাদের সংগঠনের নির্বাচন হয়নি। সিলেকশনের মাধ্যমে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে। যারা এ অভিযোগ দিয়েছেন, তারা কেন ওই সময় প্রতিবাদ করেননি।